• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :

সৈয়দপুরে স্বামীর নির্যাতনে হোমিও চিকিৎসক স্ত্রী হাসপাতালে

সিসি নিউজ, ২৭ জুলাই: নীলফামারীর সৈয়দপুরে ইউনিয়ন তথ্য উদ্যোক্তা স্বামী মনোয়ার হোসেনের হাতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন হোমিও চিকিৎসক স্ত্রী লিপি আরা ওরফে মায়া। নির্যাতিতা মায়া হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন আর অভিযুক্ত মনোয়ার ধর্মান্তরিত এক নারীকে বিয়ে করে গাঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। গত বুধবার (২৫ জুলাই) উপজেলার কামারপুকুর দলুয়া দেওয়ানীপাড়া এলাকায় ওই ঘটনাটি ঘটে।

অভিযোগে জানা গেছে, ওই এলাকার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য উদ্যোক্তা মনোয়ার হোসেন প্রায় ১৪ বছর আগে পার্বতীপুর উপজেলার সোনাপুকুর মাঝাপাড়া এলাকার মৃত ইদ্রিস আলী কবির এর মেয়ে হোমিও চিকিৎসক মোছাঃ লিপি আরা মায়াকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। বিয়ের পর কয়েক বছর ভালোই চলছিল তাদের দাম্পত্য জীবন। কিন্তু ধীরে ধীরে অন্য নারীদের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে মনোয়ার। বিষয়টি টের পেয়ে মায়া এর প্রতিবাদ করলে শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। তার নির্যাতনে ইতোপূর্বে অসময়ে মায়ার গর্ভপাত ঘটেছে বলে দাবী করেন নির্যাতিতা মায়া। এরই মধ্যে লক্ষণপুর এলাকার এক হিন্দু নারীর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে মনোয়ার। গত ৭ মে নীলফামারী নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে ওই হিন্দু নারীকে বিয়ে করে। এর প্রতিবাদ করলে গত ২৫ জুলাই মনোয়ার লাঠি দিয়ে মায়াকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। নির্যাতিতা মায়া বর্তমানে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধিন হোমিও চিকিৎসক মায়া বলেন, মনোয়ারের নির্যাতনের আঘাতে পরপর তিন বার অসময়ে আমার গর্ভপাত হয়েছে। আর এ গর্ভপাতের সুযোগ নিয়ে মনোয়ার আমাকে নিঃসন্তান দাবী করে।

কামারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম লোকমান সিসি নিউজকে বলেন, তথ্য উদ্যোক্তা মনোয়ারের বিরুদ্ধে পরকীয়াসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তার স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগও পেয়েছি। শিগগির তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেবো। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মনোয়ার দীর্ঘ ২ মাস থেকে কর্মস্থলে অনিয়মিতভাবে আসছে।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান পাশা অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ